যান্ত্রিক ধোঁয়ায় দূষিত বাতাসকে ক্যান্সারের উল্লেখযোগ্য পরিবেশগত কারণ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও।
দূষিত বাতাসের কারণে ফুসফুসে ক্যান্সারের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।
গাড়ির ধোঁয়া, বিদ্যুৎকেন্দ্র, কৃষি ও শিল্প বর্জ্য এবং গৃহস্থলির ধোঁয়ার ফলে দূষিত বায়ুকে প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ডব্লিউএইচও’র অঙ্গসংগঠন দ্য ইন্টারনেশনাল অ্যাজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সার
(আইএআরসি) বায়ু দূষণকে তামাকের ধোঁয়া,
অতিবেগুনি রশ্মির তেজস্ক্রিয়তা ও দূষণের পর্যায়ভুক্ত করেছে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, দূষিত বাতাসের কারণে হৃদপিণ্ড ও ফুসফুসের রোগ হয় বলে এতদিন জানা ছিল। কিন্তু এখন নতুন করে এর কারণে ক্যান্সারের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।
অতিসাম্প্রতিক কিছু তথ্যে দেখা যাচ্ছে সারা বিশ্বে দুই লাখ ২৩ হাজারের মতো মানুষ দূষিত বাতাসের কারণে ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে।
নিহতদের অর্ধেকেরও বেশি মানুষের বসবাস চীন ও পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে। ধোঁয়ার কারণে দূষিত হওয়া বাতাস ব্লাডার ক্যান্সারের জন্যও দায়ী বলে তথ্য-উপাত্তে প্রমাণ মিলেছে।
আইএআরসির গবেষক ড. কার্ট স্ট্রেইফ বলেন,
আমরা শ্বাসপ্রশ্বাসের জন্য যে বায়ু গ্রহণ করি তা ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদানে ভরে গেছে।




No comments:
Post a Comment